বাসায় গিয়ে স্বল্প খরচে কম্পিউটার শিখুন! | Basic Computer Course For Beginners

বাসায় গিয়ে স্বল্প খরচে কম্পিউটার শিখুন!

আপনি কিংবা আপনার ছেলে-মেয়ে বাসায় বসে কম্পিউটার শিখতে আগ্রহী? আমরাই প্রথম স্বল্প খরচে বাসায় গিয়ে কম্পিউটারে বেসিক টু এডভান্স শেখানোর নতুন কর্মসূচি চালু করেছি। নতুন উদ্যোগে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় কম্পিউটার শিক্ষা । ব্যস্ত শহরে  কিংবা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আপনার বসবাস তাই কম্পিউটার শিক্ষার সুযোগ হয়ে উঠেনি। এই ডিজিটাল যুগে কম্পিউটার শিক্ষা আর কেবল একটি দক্ষতা নয়, বরং জীবনযাপনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। ছেলে-মেয়েদের কম্পিউটার শেখানো মানে তাদের ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করা। এই লক্ষ্যে একটি ইচ্ছাব্লগ একটি নতুন উদ্যোগ শুরু করেছে।

 বাসায় গিয়ে স্বল্প খরচে কম্পিউটার শিখুন! | Basic Computer Course For Beginners

ইচ্ছাব্লগ কতৃপক্ষ বাসায় গিয়ে কম্পিউটার শেখানোর নতুন কর্মসূচি চালু করেছেন। আপনি যদি জানতে চান কিভাবে বাসায় গিয়ে কম্পিউটার শেখার সেবাটি নিতে হবে তাহলে পোস্টটি পড়ুন এবং আমাদের সাথে থাকুন।

বাসায় গিয়ে  কম্পিউটার শিখানো হয়

কেন হটাৎ বাসায় গিয়ে কম্পিউটার শেখানোর সেবা চালু হলো? 

বাসায় গিয়ে কম্পিউটার শেখানোর সেবা চালু হওয়ার পিছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে: তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো:-

১.দূরত্বের সমস্যা: অনেক সময় আপনার চিন্তা হয় আপনার ছেলে-মেয়েরা কম্পিউটার শিখতে কোন কোচিং সেন্টারে যাবে, দূরত্ব কত, কি শিখছে, ইত্যাদি।  এই সব চিন্তায় যাওয়া সম্ভব হয় না। এই লক্ষেই বাসায় গিয়ে শিক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে এই সমস্যা দূর করা সম্ভব।

২.সময়ের অভাব: অনেক মানুষের কাছে কম্পিউটার শিখার জন্য সময় বের করা কঠিন হয়। বাসায় গিয়ে শিক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা যায়।

৩.ব্যক্তিগত মনোযোগ: বাসায় গিয়ে শিক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ব্যক্তিগত মনোযোগ পায়, যা একটি শ্রেণিকক্ষে পাওয়া কঠিন।

৪.ব্যক্তিগত মনোযোগ: শিক্ষক শিক্ষার্থীর প্রয়োজন অনুযায়ী শিক্ষা দিতে পারেন।

৫.লজ্জা কাটানো: অনেক মানুষ অন্যদের সামনে শিখতে লজ্জা পান। বাড়িতে শিখলে এই সমস্যা হয় না।

৬.স্বস্তি: নিজের পরিচিত পরিবেশে শিখতে স্বস্তি হয়।

কেন আপনার ছেলে-মেয়েদের কম্পিউটার শিখাবেন?

আপনার ছেলে-মেয়েদের কম্পিউটার শেখানো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। বিজ্ঞানের অভাবনীয় অগ্রগতি সৈজন্যে প্রযুক্তিকে গ্রহণ করছে বিশ্ববাসী দৈনন্দিন সকল কাজ পরিচালিত হচ্ছে অনলাইনে। ডিজিটাল যুগে কম্পিউটার জ্ঞান ছাড়া সফল হওয়া কঠিন। এখানে কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা যাক কেন আপনার সন্তানদের কম্পিউটার শিখানো উচিত:

১.বিশ্বের সাথে যোগাযোগ: ইন্টারনেটের মাধ্যমে পুরো বিশ্বের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব। কম্পিউটার শিখে আপনার ছেলে-মেয়েরা বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে এবং নতুন জিনিস শিখতে পারবে।

২.শিক্ষা: অনলাইন শিক্ষা, ই-বুক, ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম ইত্যাদির মাধ্যমে আপনার ছেলে-মেয়েরা সহজেই শিক্ষাগ্রহণ করতে পারবে।

৩,কর্মসংস্থান: বর্তমানে প্রায় সকল ক্ষেত্রেই কম্পিউটার জ্ঞানের প্রয়োজন হয়। কম্পিউটার শিখে আপনার ছেলেমেয়েরা ভবিষ্যতে ভালো চাকরি পেতে সক্ষম হবে।

৪.সৃজনশীলতা: কম্পিউটারের মাধ্যমে আপনার ছেলে-মেয়েরা বিভিন্ন ধরনের সৃজনশীল কাজ করতে পারবে, যেমন- গ্রাফিক্স ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং, প্রোগ্রামিং ইত্যাদি।

৫.সমস্যা সমাধানের দক্ষতা: কম্পিউটার ব্যবহার করতে গিয়ে আপনার ছেলে-মেয়েরা বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে শিখবে, যা তাদের জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও সাহায্য করবে।

৬.আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি: কম্পিউটার শিখে ছেলে-মেয়েরা আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে এবং নিজেদের উপর ভরসা করতে শিখবে।

কীভাবে শিখাবো?

১.গেমিং: শুরুতে ছেলেমেয়েদের জন্য গেমিং একটি ভালো মাধ্যম হতে পারে কম্পিউটারের সাথে পরিচিত হওয়ার জন্য।

২.ছবি আকা: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে বিভিন্ন ডিজাইন করে পতাকার ফুল নকশা ইত্যাদির মাধ্যমে যাতে আগ্রহ করে যাতে করে শিখতে আগ্রহী হয়ে ওঠে।

৩.আনন্দদায়ক করুন: কম্পিউটার শেখাকে আনন্দদায়ক করে তুলবো । যেমন, গেম খেলা, ভিডিও দেখা ইত্যাদির মাধ্যমে তাদেরকে শিখতে আকৃষ্ট হয়।

৪.ইন্টারেক্টিভ অ্যাপ: বিভিন্ন ইন্টারেক্টিভ অ্যাপের মাধ্যমে ছেলেমেয়েরা কম্পিউটারের বিভিন্ন ফিচার সম্পর্কে ধারণা দিবো । 

৫.সৃজনশীলতা: কম্পিউটারের মাধ্যমে আপনার সন্তানরা বিভিন্ন ধরনের সৃজনশীল কাজ করতে পারবে, যেমন- গ্রাফিক্স ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং, প্রোগ্রামিং ইত্যাদি।

কি কি শিখানো হবে?

এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীরা শিখতে পারবেন:

১.কম্পিউটারের অংশগুলো: মনিটর, কীবোর্ড, মাউস, সিপিইউ ইত্যাদি কী কাজ করে তা জানা।

২.অপারেটিং সিস্টেম: উইন্ডোজ, ম্যাক ও এস ইত্যাদি অপারেটিং সিস্টেম কী এবং কীভাবে ব্যবহার করতে হয় তা জানা।

৩.ফাইল ম্যানেজমেন্ট: ফাইল ও ফোল্ডার তৈরি করা, কপি করা, পেস্ট করা, ডিলিট করা ইত্যাদি।

৪.ইন্টারনেট ব্রাউজিং: গুগল ক্রোম, মোজিলা ফায়ারফক্স ইত্যাদি ব্রাউজার ব্যবহার করে ওয়েবসাইটে ভিজিট করা।

৫.ইমেইল: জিমেইল, আউটলুক ইত্যাদি ইমেইল সার্ভিস ব্যবহার করে ইমেইল পাঠানো ও গ্রহণ করা।

ক্রমান্নে মাইক্রোসফট এর দিকে অগ্রসর হওয়া

১.মাইক্রোসফট ওয়ার্ড: ডকুমেন্ট তৈরি করা, ফর্ম্যাটিং করা ইত্যাদি।

২.মাইক্রোসফট এক্সেল: স্প্রেডশীট তৈরি করা, ডাটা এনালিসিস করা ইত্যাদি।

৩.মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট: প্রেজেন্টেশন তৈরি করা।

অন্যান্য:

১.টাইপিং: দ্রুত এবং সঠিকভাবে টাইপ করা। কী-বোর্ড না দেখে দ্রুত টাইপ করার কৈৗসল।

২.ইন্টারনেট সার্চ: গুগল, বিন ইত্যাদি সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে তথ্য খুঁজে বের করা।

৩.সোশ্যাল মিডিয়া: ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার ইত্যাদি ব্যবহার করা।

৪.অনলাইন ব্যাংকিং: অনলাইনে ব্যাংকিং কাজ করা।

৫.ই-কমার্স: অনলাইনে কেনাকাটা করা।

কোর্স

কম্পিউটার কোর্স: আপনি আমাদের যে কোন বিষয় ভিক্তিক কম্পিউটার কোর্সে ভর্তি হতে পারেন।

অনলাইন কোর্স: অনলাইন কোর্স করতে পারেন।

আমাদের সম্পর্কে

আপনারা অনেকেই আছেন ব্যস্ত সয়য় পার করছেন আপনি কিংবা আপরার ছেলে-মেয়ে কম্পিউটার বিষয়ে অজ্ঞ। ব্যস্ত শহরে  কিংবা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আপনার বসবাস তাই কম্পিউটার শিক্ষার সুযোগ হয়ে উঠেনি। এই ডিজিটাল যুগে কম্পিউটার শিক্ষা আর কেবল একটি দক্ষতা নয়,বরং জীবনযাপনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। ছেলে-মেয়েদের কম্পিউটার শেখানো মানে তাদের ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করা। এই লক্ষ্যে একটি ইচ্ছাব্লগ একটি নতুন উদ্যোগ শুরু করেছে।

ফিজিক্যালি উপস্থিত থেকে ক্লাস করাটা যখন দুর্বোধ্য হয়ে পড়েছে ঠিক তখন বাসায় বসেই কম্পিউটার শিখুন। ইচ্ছাব্লগ দিচ্ছে আপনাকে দিচ্ছে শিক্ষক । বাসায় গিয়ে কম্পিউটার শেখাবেন।

জ্বি হ্যাঁ- ইচ্ছাব্লগের পক্ষ থেকে বাসায় গিয়ে কম্পিউটার শেখানো হয় সেবাটি নতুন চালু করেছে। বিভিন্ন শিক্ষক বাসায় গিয়ে কোর্স করিয়ে থাকেন। এছাড়া অনলাইনেও কোর্স করানো হয়ে থাকে। সবচেয়ে চমৎকার বিষয় হচ্ছে এই কোর্সটি যেকোনো বয়সের জন্য প্রযোজ্য। ছোট কিংবা বড়, চাকুরীজীবী কিংবা বয়স্ক সবাই বাসায় গিয়ে কোর্স করানোর সেবাটি উপভোগ করতে পারবেন। বাসায় গিয়ে কম্পিউটার শেখানোর সার্ভিসটি শুধুমাত্র ঢাকা সিটি মিরপুর এলাকায় প্রযোজ্য। প্রতি সপ্তাহে তিন দিন ক্লাস  করানো হবে। আপনার যদি ব্যক্তিগত কম্পিউটার না থাকে প্র্যাকটিসের জন্য আমাদের কম্পিউটার সরবরাহ করার সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও আপনি আমাদের অফিসে এসেও শিখতে পারবেন।

কোর্স ফি আপনি আলোচনা সাপেক্ষ্যে ঠিক করে নিতে পারবেন। তাহলে আর দেরি  না করে আমাদের ফেজবুক পেইজ অথবা আমাদের দেওয়া নাম্বারে যোগাযোগ করে আপনার ছেলে মেয়েদের কম্পিউটার মুখী করে তুলুন। 

যেসব শিক্ষার্থী হাইস্কুল বা কলেজে পড়ছেন তাদেরকে ICT কোর্স করানো হয়। ICT কোর্স করার পাশাপাশি তাঁদের কম্পিউটার ও শেখা উচিত। এছাড়াও বাসায় গিয়ে কম্পিউটার শেখানো হয় এই কোর্সে রয়েছে বেসিকস টু এডভান্স যেমনঃ মাইক্রোসফট অফিস আপ্লিকেশনস কোর্স। আরো রয়েছে গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েবসাইট ডিজাইন, কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং সিসিএনএ সহ ভিডিও এডিটিং ইত্যাদি। যারা ফ্রিল্যান্সিং বা কোর্সটি করতে চান তাঁদের অবশ্যই ইন্টারনেট সংযুক্ত ব্যক্তিগত কম্পিউটার/ল্যাপটপ/ স্মার্টফোন থাকতে হবে। এর জন্য সেবা গ্রাহককে অবশ্যই নূন্যতম এসএসসি পাশ হতে হবে। ফ্রিল্যান্সিং কোর্সটি করে আপনি আপনার চাকুরী নিশ্চিত করুন। বাসায় গিয়ে কম্পিউটার শেখার সুবিধাটি উপভোগ করুন। এছাড়া কারো যদি কিছু জানার থাকে তাহলে কমেন্ট সেকশনে জানাতে ভুলবেন না। আমরা চেষ্টা করব আপনাকে যথাসাধ্য সহযোগিতা করার। সবাইকে ধন্যবাদ।

ইচ্ছাব্লগ এটি একটি প্রযুক্তি সম্পর্কিত টিউটরিয়াল এবং গাইড প্রদান করি থাকি। এই খানে যে কেও পড়তে ও লিখতে পাড়ে। এইখানে ফিচার,ছোটগল্প,কবিতা, আপনার জীবনের গল্প ইত্যাদি আপনার পছন্ডের লেখা পাঠাতে সরাসরি যোগাযোগ করেন। আমাদের প্রতিনিধি যাচাই করে আপনার সাথে যোগা করবে।                                                                                                                                                লেখা জমা নিচ্ছে 👉 

আপনি সরাসরি ইমেইল করতে পারেন 👉 ‘ icchablog@gmail.com’

লিখাটি ভালো লেগলে অবশ্যই কমেন্ট এবং আপনার ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার দিতে পাশে থাকবেন। 

ইচ্ছাব্লগ ডট কম/এম.এম 

Previous Post Next Post
Premium By Raushan Design With Shroff Templates