শীতে শিশুদের যে সকল খাবার দিতে মানা

আমরা সাধারণত সকলেই শীতে গরম এবং দুর্দান্ত খাবার খেতে ভালোবাসি। শিশুরা যখন শক্ত খাবার খাওয়া শুরু করে, তারা নতুন এবং বিভিন্ন ধরণের খাবার উপভোগ করে। শীতকালে, আপনি আপনার ছোট্টটিকে যা দেবেন সে সম্পর্কে আপনার কিছুটা যত্নবান হওয়া দরকার। 

শীত এলে আমাদের কিছু বাড়তি প্রস্তুতি নিতে হয়। তবে আমরা অনেকেই খাবার অভ্যাস সম্পর্কে সচেতন থাকি না। তবে শীতে কিছু খাবার এড়িয়ে চললেই আমাদের স্বাস্থ্য ভালো থাকার সম্ভাবনা বেশি। তবে শিশুদের জন্য শীতে একান্ত যত্ন প্রয়োজন।

চকলেট: অতিরিক্ত পরিমাণে মিষ্টি শরীরের শ্বেতরক্তকণিকা কমিয়ে ইমিউনিটি সিস্টেমকে দুর্বল করে দেয়। পাশাপাশি কোল্ড ড্রিঙ্কস আর হাই রিফাইনড ব্রেকফাস্ট সিরিয়ালও না দেওয়াই উচিৎ হবে।

মেয়োনিজ: বেশিরভাগ ফাস্টফুডে এখন মেয়োনিজ দেওয়া হয়। এতে থাকে হিস্টামিন। এই হিস্টামিনসমৃদ্ধ খাবার বেশি পরিমাণে খেলেও শরীরে মিউকাসের পরিমাণ বাড়ে এবং থ্রোট ইনফেকশনের সম্ভাবনা দেখা দেয়। পারলে এটি একেবারেই এড়িয়ে চলা উচিৎ।

ফ্রোজেন মাংস: বাজারে যে সব ফ্রোজেন মাংস পাওয়া যায়, মানে প্যাকেটজাত, তা কখনই কেনা উচিত নয়। কেন না তা শরীরে মিউকাস উৎপাদন বাড়িয়ে গলায় ইনফেকশনের সম্ভাবনা ডেকে আনে। তাই মাছ বা ফ্রেশ মাংস শিশুকে খাওয়াতে হবে।
বাইরের খাবার:
বাইরের ভাজাভুজি যত ভালো দোকান থেকেই কেনা হোক না কেন, বাইরের আমিষ ভাজাভুজির ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিডও শরীরে লালা আর মিউকাসের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।

দুগ্ধজাত খাবার:  চিজ আর ক্রিম এই দুই দুগ্ধজাত ঠিকই, কিন্তু কোনও একটা মাত্রায় গিয়ে অপুষ্টিকরও বটে। কেন না তা শরীরে লালা এবং মিউকাসের ঘনত্ব বাড়িয়ে দিয়ে শিশুদের খাবার গলাঃধকরণের প্রক্রিয়াটিকে দুরূহ করে তোলে।
Previous Post Next Post
Premium By Raushan Design With Shroff Templates