করোনাকালের দুর্দশা।


বর্তমানে সবচেয়ে বড় আত্নকের নাম হলো কোরোনা। এটা এমন এক ভয়াবহ ভাইরাস যা মানুষ কে খুব সহজেই মেরে ফেলতে পারে।

করোনা ভাইরাস এমন একটি সময় সংক্রামক রোক যা এর আগে কখনো মানুষ দেখে নাই।
ভাইরাস টর আরেক নাম হলো ২০১৯- এনসিওভি।
এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসটির ভেকসিন তৈরি হয়নি এতে এ ভাইরাস প্রতিরোধ করা অসম্বব এর ব্যপার।
চীনের ওহান প্রদেশ থেকে শুরু হয় এ ভাইরাস টির যাত্রা। বর্তমানে সারা পৃথিবীতে ছরিয়ে রয়েছে এ ভাইরাস।

মৃত্যুর ভয় কার না আছে। সবাই এই ভয়াবহ কোরোনা থেকে বাঁচার জন্য লরাই করে যাচ্ছে।
কোরোনার ভাইরাস এর ভয়াবহতা কমানোর জন্য সব দেশে চলছে লকডাউন। এ লক ডাউনে সকলের ঘরে থালাটাই জরুরি কিন্তু কিছু মানুষ আবার এ লকডাউন অমান্ন করে ঘরের বাইরে ঘুরাঘুরি করছে।এতে দিন দিন করোনা রুগর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

করোনাভাইরাস এর প্রভাব এর কারনে অর্থনীতির চাকা প্রায় অচল এর পথে। দেশ ভ্রমণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে সকল দেশে। আকাশ পথে যোগাযোগ নিষিদ্ধ। দিনে দিনে করোনা রুগির সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এ ভাইরাসে  আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে প্রচুর মানুষ মারা যাচ্ছে।

অন্যান্য দেশের তুলোনায় বাংলাদেশ এর করোনার চিত্র অভিন্ন। অন্যান্য দেশে লকডাউন এ সকলে ঘরে বসে রয়েছে। আর বাংলাদেশ এ লকডাউন অমান্ন করে সকলে ঘরের বাহিরে। ডাকা থেকে মানুষ আসা যাওয়া করছে। বাংলাদেশ এর অবস্থা দেখে মনে হয় বাংলাদেশ এ করোনা ভাইরাস এর কোনো প্রভাব পড়ে নি। ভাইরাস টিও বাংলাদেশ এ আসেনি।
বাংলাদেশ এ অন্যান্য দেশের তুলোনায় রোগির সংখ্যা কম নয়।

সারা বিশ্বে করোনা রুগির সংখ্যা ৯৭১০২০৫ ছারিয়েছে। সুস্থ হয়েছে ৫২৭৯৫৭৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৯১৭৮৩ জন।
বাংলাদেশ এ করোনা রুগির সংখ্যা ১২৬,৬০৬ সুস্থ হয়েছে ৫১৪৯৫ মৃত্যু হয়েছে ১৬২১জনের।

এতেই বুঝা যায় করোনা ভাইরাস এর ভয়াবহতা কত। ভেকসিন না তৈরি হওয়া পর্যন্ত এ ভাইরাস মোকাবেলা করার সামর্থ কোন দেশের নাই।
বর্তমানে অনেক ঔষধ কম্পিউটার এ ভাইরাসটির ভেকসিন তৈরি করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।
ভাইরাস টি প্রতিরোধ করা না গেলে বিশ্বে মহামারী দেখা দিবে।

        """""""""""""""ধন্যবাদ """"""""""""""""

Previous Post Next Post
Premium By Raushan Design With Shroff Templates